বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৩

নতুন কবিতার খাতা

অনেক কবিতা লিখেছি পুরনো কবিতার খাতায়
কবিতার মধ্যে বলেছি মনের কথা,
চিন্তা, ভাবনা, গবেষণা
এই সব নিয়ে পুরনো কবিতার খাতা পূর্ণ
হয়েছে  পৃষ্ঠা শেষ,
কিনে এনেছি তাই নতুন খাতা
লিখবো কিছু কবিতা বিশেষ।

আবার হবে লেখা নতুন কবিতা
লিখবো নতুন খাতায়,
নতুন করে বলব আমার কথা
পুরনো মনের অনুভূতি,
নতুন কিছু সৃতির হবে
নতুন পরিণতি।

শুধু খাতা নতুন নয়,
কলমটি ও আমার নতুন,
সব কিছু নতুন আজ
নতুন কবিতা লিখবো বলে,
ছন্দ সাজাবো নতুন করে
ছলে-বলে-কৌশলে।

কিন্তু নতুন খাতা অপূর্ণ
খাতা জুড়ে শূন্যতা,
শূন্যতার হয়েছে সৃষ্টি
নতুন কবিতার প্রয়োজনে,
ব্যস্ত তাই এখন আমি
নতুন কবিতার আয়োজনে।

মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৩

পাখি

গাছের ডালে রয়েছে বসে
ছোট্ট দুটি পাখি,
পাখি দুটি করছে শুধুই
মিষ্টি ডাকাডাকি ।

কচি পাতায় তৈরি তাদের
শান্ত একটি  নীড়,
সেখান থেকে যায় যে দেখা
দূর সাগরের তীর।

পাখি দুটির রয়েছে নীড়ে
তিনটে তাদের ছানা,
দূর সাগরের তীরে যেতে
ছানাদের কঠোর মানা।

মা পাখিটির মনের গভীরে
ছানা হারানোর ভয়,
তাই পারেনা ছানারা তাদের
সমুদ্র করতে জয়।

শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৩

একটু খানি হাসি

হাসতে ভালবাসি আমারা সবাই
পৃথিবীতে এমন মানুষ নেই যে হাসতে চায় না,
ইচ্ছে থাকুক আর না-ই বা থাকুক
হাসতে তোমাকে হবেই।

তবে সব হাসি সমান নয়
রয়েছে হাসির মাঝেও ভিন্নতা,
কেউ হাসে সুখেতে, কেউ হাসে দূঃখতে।
কিন্তু একটু খানি হাসি পারে অনেক কিছু
পারে জীবনকে জীবন্ত করে তুলতে,
জীবনকে রঙ্গিন রঙ্গে রাঙ্গায়িত করতে।

হাসি যেন তাই এক মূল্যবান সম্পদ,
মায়ের কাছে সন্তানের একটু খানি  হাসি
অগনিত পরিমাণ স্বর্ন হতে দামী ,
পিতার মুখে একটু খানি হাসি ফুটাতে পারলে যেন
সার্থক সন্তানের জীবন ।

প্রেমিকের কাছে তার প্রেমিকার মায়াবী মুখের
একটু খানি হাসি স্বর্গ সমতুল্য,
ভাইয়ের কাছে বোনের, বোনের কাছে ভাইয়ের
একটু খানি হাসি সবই সুখের একটি অঙ্গ ।

রাস্তার ফুঁটপাতে বসবাসরত মানুষের মুখেও
ফুটে একটু খানি হাসি
যখন সে পায় সামান্য কিছু অন্ন ।

অভাব-অনটন, কষ্ট, ব্যর্থতাকে তোয়াক্কা না করে
যখন ফুটে ঠোঁটের কোণায় একটু খানি হাসি
বলব তখন সেই হাসি সব হাসি থেকে ভিন্ন ।

বৃষ্টির দিনে ঝড়ের সময়
ভাঙ্গা ছনের ঘরের ভিতর
যখন বৃষ্টির পানি প্রবেশ করে,
তখনো দরিদ্র কৃষকের স্ত্রীর মুখে ফোটে 
একটু খানি হাসি, সেই হাসি হল ভিন্ন,
কষ্টকর একটি হাসি ।

আসলে মানুষ হয়ে সবাই জন্মেছিতো
তাই হাসতে আমাদের হবেই,
জীবন হউক সুখের অথবা দূঃখের
একটু খানি যেন অনেক কিছু ।

বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০১৩

স্বপ্নকন্যা এবং আমি ৩

লজ্জা ভরা দুটি চোখ নিয়ে
স্বপ্নকন্যা আসবে আমার কাছে
নিজের লজ্জা ভাঙ্গাতে,
আমি দিব তার লজ্জা ভাঙ্গিয়ে
অপরিচিত সুখে ব্যস্ত হয়ে
প্রেমের ভেলাতে শয়ন করে
থাকবো মেতে ভালবাসার মেলাতে।

তখন ঘটবে লজ্জার অবসান
শরীল দুটি হবে এক
থাকবে হাতের উপর হাত,
কাটবে সেই সাথে খানিকটা আমাদের
সুখময় একটি রাত।

সেই রাতে হবে কথা
মুখে নয়, কথা হবে
শারীরিক একটি ভাষায়,
সুখ পাখি তখন আসবে কাছে
বন্ধী হয়ে মুক্ত একটি কাঁচায়।

বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৩

আমার প্রেমিকা

একটি মেয়ে,
মেয়েটি থাকতো অন্য প্রান্তে
যেন অন্য এক পৃথিবীর বাসিন্দা,
মেয়েটি ছিল ভিন্ন
সবার থেকে আলাদা।

সেই মেয়েটি ছিল শিশির ভেজা
পবিত্র গোলাপ ফুল,
চোখ খানি মেয়েটির যেন
নিষ্পাপ ধরণীর কুল।

যা দেখতো চোখ দুটি
তা-ই লাগতো ভাল,
মেয়েটির মাঝে ছিলনা কোন
একটু হলেও কালো।

বিশাল একটি মন মেয়েটির
সর্বদা ত্রুটি মুক্ত,
নিষ্পাপ এবং পবিত্র
অল্প খানিক শক্ত।

নরম শক্তের মিশ্রণ নিয়ে
জীবন হল তাহার,
কষ্টে মনটা মেয়েটির যেন
কাদামাটির একটি পাহাড়।

রাগ ছিল মেয়েটির অনেক
তাই ভাসতাম ভাল আমি,
সেই রাগটা আমার কাছে
হীরক হতে দামী।

রাগী মেয়েটি গুণবতী
মুক্ত দয়ার সাগর,
সেই মেয়েটিকে আমি দিয়েছি আঘাত
হয়ে নিষ্ঠুর একটি পাথর।

মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৩

স্বপ্ন ভাঙ্গার গল্প

ছিলাম আমি ঘুমন্ত অবস্তায়
তীব্র নিদ্রায় জেগে,
শুনলাম হটাৎ বিকট গর্জনে
মনের আকাশ উঠলো কেঁপে মেঘে।

মেঘের গর্জনে দিল ফাটল
স্বপ্ন গেল ভেঙ্গে,
কষ্ট তখন দিল দেখা
হৃদয় নামক অঙ্গে।

অস্রু হল ঝর্ণাধারা
ঝরেছিল কষ্টে অবিরাম,
চোখ দু'টো ক্লান্ত হল
পেলনা কোন বিশ্রাম।

স্বপ্নগুলা আমার রঙ্গিন ছিল
আশা নিয়ে বুকে অনেক,
ভেঙ্গে যাওয়াতে বুদ হয় তাই
ঝরেছিল অস্রুর ফোটা বেশ কয়েক।

জেগে জেগে দেখে ছিলাম স্বপ্ন আমি
সেইজন্য হয়েছি অসহায়,
বল তুমি ঘুমন্ত অবস্তায় জাগ্রত হলে
স্বপ্ন কী দেখা যায়।

আমি বলি জাগ্রত হয়ে
যায় যে স্বপ্ন দেখা,
ঘুমন্ত অবস্তায় ঘুমহীন হয়ে
রেখে ছিলাম স্বপ্ন কিছু আঁকা।

বল্লে তুমি ঘুমন্ত অবস্তায় জাগ্রত হলে
স্বপ্ন কি সত্যি হয়,
ভাঙ্গা স্বপ্ন আসলে আজো
সত্যি হবার নয়।

বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট, ২০১৩

স্বপ্নকন্যা এবং আমি ২

অজানা এক মেয়ে তুমি
অপরিচিত তোমার পরিচয়,
যখন আমি পাবো তোমার দেখা
তখন হবে মিষ্টি ভাবের কিছু বিনিময় ।
কিন্তু সঠিক সময় হয়নি এখন
সেই সময় হলে আসবে তুমি কাছে,
বলবে তুমি তোমার মনের কথা
তোমার হয় যত ইচ্ছে ।
সাজবে তুমি বধূ হয়ে তখন
শুভলগ্নে বসবে আমার পাশে,
দুজন থাকবো একটু ভিতু
প্রথম দেখায় থাকবে ভয় নিশ্বাসে ।